লালমনিরহাট জেলা শহর থেকে মাত্র ১০কিলোমিটার দূরে ভারত-বাংলাদেশ যাতায়াতের জন্য মোগলহাট ইমিগ্রেশন চালু ছিল যাহা ১৯৯৫ইং সাল থেকে বন্ধ হয়ে গিয়েছে।
এই ইমিগ্রেশন পয়েন্টটি ছিল দেশের প্রাচীনতম। ইহা বন্ধ হওয়ায় কাস্টমস্, বিজিবি ও পুলিশ বিভাগের স্থাপনাগুলি নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।
আবার ১৯৮৮ইং সাল পর্যন্ত ভারত থেকে সরাসরি লালমনিরহাট পর্যন্ত প্রতি সপ্তাহে পণ্যবাহী রেলওয়ে মালগাড়ী যাওয়া-আসা করতো।
যা বর্তমানে বন্ধ রয়েছে। মোগলহাট রেল স্টেশনটিও পরিত্যাক্ত ঘোষণা করেছে রেলওয়ে বিভাগ। এমনকি উক্ত রেল লাইন চুরি হয়ে জায়গাগুলি বেদখল হয়ে গিয়েছে। এ ধ্বংসযজ্ঞ মেনে নেওয়া যায় না বলে দাবি করছেন বিভিন্ন সংগঠন।
অথচ ভারত, নেপাল, ভুটান থেকে পণ্য আমদানি-রপ্তানি বৃদ্ধি পেয়েছে কয়েক গুণ। যার সমস্তটাই সড়কপথে পরিবহন করায় সড়ক ও জনপথ ধ্বংস হচ্ছে। বিশেষ করে পাথর আমদানিতে সড়কপথ নষ্ট হচ্ছে।
এ বিষয়ে ভারতের সাথে ১৯৬৫ইং সালের পূর্বে সকল পথ খুলে দেওয়ার ঘোষণা রয়েছে। ১৯৯৬ইং সালে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের রেল রুট চালু করার সিদ্ধান্ত ছিল যা আজও কার্যকর হয়নি।
তাই দেশের স্বার্থে পূর্বের ন্যায় মোগলহাট ইমিগ্রেশন ও রেলওয়ের পণ্য পরিবহন পুনঃচালু করা জন্য সুদৃষ্টি কামনা করছে লালমনিরহাট জেলাবাসী।
উক্ত ইমিগ্রেশন চালুর বিষয়ে স্বরাষ্ট্র, পররাষ্ট্র, অর্থ ও রেলওয়ে মন্ত্রণালয়ের আন্তরিক পদক্ষেপ এখন সময়ের দাবি। যা হতে পারে স্বরাষ্ট্র, পররাষ্ট্র, অর্থ ও রেলওয়ে মন্ত্রণালয়ের মাইলফলক।
দ্রুত মোগলহাট শুল্ক স্থলবন্দর স্থাপনের লালমনিরহাটবাসীর জন্য জরুরি হয়ে পড়েছে।
উল্লেখ্য যে, ২০২৩খ্রিস্টাব্দের ১ আগস্ট সকাল ১০টায় লালমনিরহাটের মিশন মোড় গোল চত্ত্বরে অতিক্রম লালমনিরহাটের আয়োজনে মোগলহাট শুল্ক স্থলবন্দর স্থাপনের ঘোষণার বাস্তবায়ন করতে হবে দাবীতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।